সুদেষ্ণা রায়ের জীবন শুরু শিক্ষকতা দিয়ে। তারপর সাংবাদিক, বহু নামী সংবাদপত্র ও পত্রিকায় কাজ করেছেন। টেলিভিশন সাংবাদিকতা করেছেন, সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন, সিরিয়াল পরিচালনাও করেছেন। এর পর শুরু সিনেমা পরিচালনা, কিছু উল্লেখযোগ্য ছবি: ‘তিন ইয়ারি কথা’, ‘ক্রস কানেকশন’, ‘যদি love দিলে না প্রাণে’, ‘শ্রাবণের ধারা’। এখন কাজ করেন শিশু অধিকার সুরক্ষা আয়োগের বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে।
সাগুফতা শারমীন তানিয়া ছোটগল্পকার, ঔপন্যাসিক। বর্তমানে প্রবাসী এই লেখকের বইয়ের সংখ্যা আট। লিখেছেন ‘ওয়াসফিরি’, ‘এশিয়া লিটেরারি রিভিউ’ এবং ‘সিটি প্রেস’-এর মতো সাহিত্য-জার্নালে। ২০১৯ সালে পেয়েছেন বাংলা একাডেমির সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ পুরস্কার।
মালবিকা ব্যানার্জি টাটা স্টিল লিটেরারি মিটের পরিচালক। সাংবাদিক হিসাবে পথ চলা শুরু। ১৯৯৮ সালে স্বামী জিৎ ব্যানার্জির সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিষ্ঠা করেন ক্রীড়া বিপণন সংস্থা ‘গেমপ্ল্যান’ (‘ডাকবাংলা’ যে কোম্পানির অধীন)। এই সংস্থা বিশ্ব জুড়ে মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো আরও অনেক খেলোয়াড় এবং বিখ্যাত ক্রীড়ানুষ্ঠানের ‘ম্যানেজমেন্ট’ বা তত্ত্বাবধান করেছে। মালবিকা কলকাতার অন্যতম বিখ্যাত পোশাক বিপণি ‘বাইলুম’-এরও অংশীদার।
সঞ্চারী মুখোপাধ্যায় লেখক, সম্পাদক, সাংবাদিক। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সামাজিক নানান ঘটনাবলি নিয়ে লিখে চলেছেন। এইসব লেখার মধ্যে ধরা পড়ে তাঁর অনন্য বিশ্লেষণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি। প্রকাশিত বই : ‘একটা কষ্ট লজ্জা ভয়’।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
ডেভিড বেঞ্জামিন জেমস, এম বি ই, প্রাক্তন ইংল্যান্ড ফুটবলার, বিখ্যাত গোলরক্ষক। ১৯৯৭ এবং ২০১০-এর মধ্যে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন ৫৩ ম্যাচে ; ইউরো ২০০৮ এবং ২০১০ ফুটবল বিশ্বকাপ অভিযানে ইংল্যান্ডের অন্যতম গোলরক্ষক ছিলেন।
ডেভিড বেঞ্জামিন জেমস, এম বি ই, প্রাক্তন ইংল্যান্ড ফুটবলার, বিখ্যাত গোলরক্ষক। ১৯৯৭ এবং ২০১০-এর মধ্যে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন ৫৩ ম্যাচে ; ইউরো ২০০৮ এবং ২০১০ ফুটবল বিশ্বকাপ অভিযানে ইংল্যান্ডের অন্যতম গোলরক্ষক ছিলেন।
প্রতীতি গণত্রর কর্মজীবন শুরু সাংবাদিকতায়, বর্তমানে বিপণন ও আয়োজকের ভূমিকায় সংযুক্ত। কলকাতা লিটেরারি মিট-এর প্রধান কো-অর্ডিনেটর, প্রতীতি ভালবাসেন খেলাধুলা, সিনেমার ব্র্যান্ডিং এবং ভাবনার বাস্তবায়ন। দাবি করেন, অস্তিত্বের সংকট নাকি তাঁর ক্ষেত্রে চিরস্থায়ী।
মালবিকা ব্যানার্জি টাটা স্টিল লিটেরারি মিটের পরিচালক। সাংবাদিক হিসাবে পথ চলা শুরু। ১৯৯৮ সালে স্বামী জিৎ ব্যানার্জির সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিষ্ঠা করেন ক্রীড়া বিপণন সংস্থা ‘গেমপ্ল্যান’ (‘ডাকবাংলা’ যে কোম্পানির অধীন)। এই সংস্থা বিশ্ব জুড়ে মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো আরও অনেক খেলোয়াড় এবং বিখ্যাত ক্রীড়ানুষ্ঠানের ‘ম্যানেজমেন্ট’ বা তত্ত্বাবধান করেছে। মালবিকা কলকাতার অন্যতম বিখ্যাত পোশাক বিপণি ‘বাইলুম’-এরও অংশীদার।
প্রতীতি গণত্রর কর্মজীবন শুরু সাংবাদিকতায়, বর্তমানে বিপণন ও আয়োজকের ভূমিকায় সংযুক্ত। কলকাতা লিটেরারি মিট-এর প্রধান কো-অর্ডিনেটর, প্রতীতি ভালবাসেন খেলাধুলা, সিনেমার ব্র্যান্ডিং এবং ভাবনার বাস্তবায়ন। দাবি করেন, অস্তিত্বের সংকট নাকি তাঁর ক্ষেত্রে চিরস্থায়ী।
নন্দিতা দাস অভিনেত্রী, চলচ্চিত্র পরিচালক। দশটি ভাষায় চল্লিশের-ও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। পরিচালকের ভূমিকায় তাঁর দ্বিতীয় ছবি ‘মান্টো’। ২০১১ সালে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান শেভাল্যিয়ে অউরদ্য দ্য আঃ এত দ্য ল্যেত-এ ভূষিত হন নন্দিতা এবং প্রথম ভারতীয় হিসাবে যোগ দেন ওয়াশিংটন ডি.সি-র ইন্টারন্যাশনাল উইমেনস ফোরাম-এ।
বিমল মিত্র (১৯১২-১৯৯১) বাংলাভাষার অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। প্রথম উপন্যাস ‘ছাই’ রচনার পর তাঁর লেখা ‘সাহেব বিবি গোলাম’ উপন্যাসটি পাঠক জগতে বিপুল ভাবে সমাদৃত হয়। এ ছাড়া ‘বেগম মেরি বিশ্বাস’, ‘কড়ি দিয়ে কিনলাম’ এবং ‘একক দশক শতক’ উপন্যাসের মধ্যে দিয়ে তিনশো বছরের সমাজজীবনের এক বিস্তৃত কালের চালচিত্র তিনি তুলে ধরেছেন। ১৯৬৮ সালে ‘কড়ি দিয়ে কিনলাম’ উপন্যাসের জন্য রবীন্দ্র পুরস্কারে সম্মানিত হন।