অ্যাডাম ক্রেইগ গিলক্রিস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ উইকেট রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসাবে গণ্য; বর্তমানে জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার। তিনি নব্বই-এর দশক থেকে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট-স্বর্ণযুগের অন্যতম পথিকৃৎ। ১৯৯৯, ২০০৩ ও ২০০৭-এর বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য, অধিনায়ক পদে অস্ট্রেলিয়া দলের বহু বিজয়ের কাণ্ডারি।
ভি ভি এস লক্ষ্মণ প্রাক্তন ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার, বর্তমানে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ ও ধারাভাষ্যকার। সুচারু স্ট্রোকপ্লে ও স্বচ্ছন্দ টেকনিকের জন্য বিখ্যাত লক্ষ্মণ একটিও একদিনের ওয়ার্ল্ড কাপ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করেও ১০০-টি টেস্ট ম্যাচে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। পেয়েছেন অর্জুন পুরস্কার (২০০১), পদ্মশ্রী (২০১১) পুরস্কার।
বোরিয়া মজুমদার ক্রীড়া সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, লেখক। তাঁর লেখা 'টোয়েন্টি-টু ইয়ার্ডস টু ফ্রিডম: আ সোশ্যাল হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়ান ক্রিকেট' খেলার ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। বর্তমানে সেন্ট্রাল ল্যাঙ্কাশায়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনিয়র রিসার্চ ফেলো, মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংযুক্ত প্রফেসর।
শ্রীজাত কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার। ২০০৪ সালে ‘উড়ন্ত সব জোকার’ কাব্যগ্রন্থের জন্য পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার এবং কৃত্তিবাস পুরস্কার। ২০১৪-তে ‘কর্কটকান্তির দেশ’ কাব্যগ্রন্থের জন্য বাংলা আকাদেমি সম্মান। আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক লেখক কর্মশালায় আমন্ত্রিত হয়েছেন ২০০৬ সালে। ‘এবং সমুদ্র’, ‘ভাষানগর’ ও ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকা সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন বিভিন্ন সময়ে।
শুভা মুদ্গল হিন্দুস্থানী ধ্রুপদী সঙ্গীতশিল্পী। খেয়াল, ঠুমরি-দাদরার পাশাপাশি জনপ্রিয় ভারতীয় সঙ্গীত নিয়েও তাঁর কাজ ব্যাপক ভাবে প্রশংসিত হয়েছে। সঙ্গীত সাধনার জন্য পেয়েছেন নানান দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার। ভারতীয় সঙ্গীতের নানা আশ্চর্য জগতের গভীরে তিনি কয়েক দশক ধরে একাধারে সুরকার-গীতিকার, শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং লেখক।
বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত কবি, চলচ্চিত্র পরিচালক, গদ্যকার। ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রেষ্ঠ পরিচালকের সম্মান এবং এথেন্স ও স্পেন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘লাইফ টাইম অ্যাচিভমেন্ট’ পুরস্কার পেয়েছেন। ভারতবর্ষের শ্রেষ্ঠ পরিচালকের সম্মানেও ভূষিত হয়েছেন বারংবার। দীর্ঘদিন সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ছিলেন। ২০১৭ সালে দে’জ প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর ‘কবিতা সংগ্রহ’।
বিমল মিত্র (১৯১২-১৯৯১) বাংলাভাষার অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। প্রথম উপন্যাস ‘ছাই’ রচনার পর তাঁর লেখা ‘সাহেব বিবি গোলাম’ উপন্যাসটি পাঠক জগতে বিপুল ভাবে সমাদৃত হয়। এ ছাড়া ‘বেগম মেরি বিশ্বাস’, ‘কড়ি দিয়ে কিনলাম’ এবং ‘একক দশক শতক’ উপন্যাসের মধ্যে দিয়ে তিনশো বছরের সমাজজীবনের এক বিস্তৃত কালের চালচিত্র তিনি তুলে ধরেছেন। ১৯৬৮ সালে ‘কড়ি দিয়ে কিনলাম’ উপন্যাসের জন্য রবীন্দ্র পুরস্কারে সম্মানিত হন।
ভি ভি এস লক্ষ্মণ প্রাক্তন ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার, বর্তমানে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ ও ধারাভাষ্যকার। সুচারু স্ট্রোকপ্লে ও স্বচ্ছন্দ টেকনিকের জন্য বিখ্যাত লক্ষ্মণ একটিও একদিনের ওয়ার্ল্ড কাপ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করেও ১০০-টি টেস্ট ম্যাচে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। পেয়েছেন অর্জুন পুরস্কার (২০০১), পদ্মশ্রী (২০১১) পুরস্কার।
অ্যাডাম ক্রেইগ গিলক্রিস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ উইকেট রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসাবে গণ্য; বর্তমানে জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার। তিনি নব্বই-এর দশক থেকে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট-স্বর্ণযুগের অন্যতম পথিকৃৎ। ১৯৯৯, ২০০৩ ও ২০০৭-এর বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য, অধিনায়ক পদে অস্ট্রেলিয়া দলের বহু বিজয়ের কাণ্ডারি।
বোরিয়া মজুমদার ক্রীড়া সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, লেখক। তাঁর লেখা 'টোয়েন্টি-টু ইয়ার্ডস টু ফ্রিডম: আ সোশ্যাল হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়ান ক্রিকেট' খেলার ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। বর্তমানে সেন্ট্রাল ল্যাঙ্কাশায়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনিয়র রিসার্চ ফেলো, মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংযুক্ত প্রফেসর।