পত্রিকা

অর্ক দাশ (Arka Das)

Khuchro Khaabar: Part 1

‘…Bengalis tend to travel. Jhalmuri, too, has travelled far-and-wide, touted as a ‘Kolkata snack’— not just to other Indian cities like Delhi or Visakhapatnam, but across continents.’ Debuting a column on Kolkata street food with the iconic jhalmuri.

দেবাশীষ দেব

শিল্পী সত্যজিৎ

‘…সত্যজিতের শতবর্ষে এটা অবশ্যই মনে রাখা দরকার যে, ভারতবর্ষের গ্রাফিক ডিজাইনের জগতে দীর্ঘদিন পরিশ্রম করে সম্পূর্ণ একা হাতে সত্যজিৎ যে অভাবনীয় একটা উত্তরণ ঘটিয়ে গেছেন, তার কোনও তুলনা আজও খুঁজে পাওয়া অসম্ভব।’ শিল্পীর চোখে পরিচালকের শিল্পসত্তা।

শুভা মুদ্গল (Shubha Mudgal)

শুভারম্ভ: পর্ব ৯

স্টেজের চারিদিকে বিকট রকমের সবুজ রঙের ভারী ভারী সব পর্দা, স্টেজটিও সবুজে আবৃত। কিন্তু পরমুহূর্তেই হতবাক হয়ে দেখলাম কাছেই আর একটি মনিটরে ওই একই শিল্পীদের যেন কোনও যাদুমন্ত্রবলে (অবশ্য, কিঞ্চিৎ আড়ষ্ট হয়ে) দিল্লির লাল কেল্লার পাঁচিলের উপর বসে থাকতে দেখাচ্ছে! মিউজিক ভিডিও ঝক্কি।

সুদেষ্ণা রায়

ব্যাকস্টেজ : পর্ব ৭

‘…সুচিত্রা মিত্র যখন চুল কেটে ফেললেন একেবারে ছোট করে, আমার মাও অনুপ্রাণিত হয়ে ওঁকে অনুসরণ করলেন। মা’রও ছিল সাদা-কালো গোলমরিচ-রঙা চুল। চোখে চশমা। তাই অনেকে ভাবতেন, মা বোধহয় সুচিত্রা মিত্রের বোন।’ কিংবদন্তীর সঙ্গে বহু বছর।

অরুণ কর

একটা নিখুঁত খুনের পরিকল্পনা

‘…লোকটার চেহারা এমন কিছু চোখে পড়ার মতো না, উচ্চতা মেরে-কেটে ফুট পাঁচেক, রোগাভোগা শরীর, ঘাড় পর্যন্ত বাবরি চুল, মুখে বসন্তের দাগ ভর্তি। তবে পোশাক-আশাক ধোপদুরস্ত, সাদা প্যান্ট, সাদা শার্ট, পায়ে নামী ব্র্যান্ডের জগিং শু, হাতে দামি ঘড়ি, প্রত্যেকটা আঙুলে আংটি, সব মিলিয়ে পরিপাটি ফুলবাবুটি।’ মারপ্যাঁচের গল্প।

শুভা মুদ্গল (Shubha Mudgal)

Shubharambh: Part 9

‘… I recall having my Jaunpuri at Diwan-e-Khas being interspersed with footage from a village somewhere, with cows and buffalos trotting on languidly to my alaap as they chew the cud, and someone seated on their haunches rolling out rotis…’ Blending music and the moving image.

বিমল মিত্র

বিনিদ্র: পর্ব ৩১

‘…তখন কি জানি যে একদিন আমাকেই আবার এ-কাহিনী লিখতে হবে, আর সে কাহিনী এত বড় হবে? তাহলে তো যা-যা দেখেছি, সব লিখে রাখতাম। আজকে গুরুরই তো বেঁচে থাকার কথা, আর আমার চলে যাওয়ার পালা… মনে যখন ভীষণ কষ্ট হয়, তখন কেবল প্রার্থনা করি, যেন আর দেখতে না হয় এত যন্ত্রণা, এত সংগ্রাম, এত দুঃখ।।’ গুরু দত্ত এবং গীতা দত্তের যন্ত্রণার সংসার।

উপল সেনগুপ্ত

অ্যাবরা কা থ্যাবড়া ৩২

কথা থাকবে না, শুধু ছবি। মানে কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র। অবশ্য শুধু ব্যঙ্গ কেন, থাকবে হিহি, খিলখিল, ঠোঁট টিপে মুচকি, একলা দোকলা ফোকলা হাসি। ব্যঙ্গচিত্র কখনও হবে বঙ্গ-চিত্র, কখনও স্রেফ তির্যক দৃশ্য। ছোট্ট ফ্রেম, বিশাল ক্যানভাস।

সুকান্ত চৌধুরী

দান্তের দুনিয়া

‘…সাতশো বছর আগে যে অনুদার বিধান মানুষের অস্তিত্বকে এমন আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছিল, আজ তা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাব কেন? একটা উত্তর, নিছক বৌদ্ধিক বিচারে এ এক অসামান্য সৃষ্টি। ইউরোপের মধ্যযুগ যে ‘অন্ধকার যুগ’ ছিল না, ঐতিহাসিকেরা অন্তত দুশো বছর ধরে বলে আসছেন।’ মহাকাব্যের প্রাসঙ্গিকতা।

অনিল ঘোষ

ইউনিট মানে ইউনিটি

‘উৎপলদা মাথা তোলার সঙ্গে সঙ্গেই প্রায় মানিকদা, ‘কাট, কাট, কাট’ বলে চিৎকার করে উঠলেন। আমার দিকে ঘুরে বললেন, ‘কিছু দেখলে?’ আমার তো কিছুই চোখে পড়েনি! তখন মানিকদা মেক-আপ আর্টিস্ট অনন্ত দাশকে ডেকে বললেন, ‘তুমি উৎপলদার পাগড়ি থেকে মেটালটা সরিয়ে নাও।’’ শুটিং-এর অজানা গল্প।

নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়

শান্তিনিকেতন ডায়েরি: পর্ব ৮

শর্বরী এগোচ্ছেন পুরস্কার নিতে। দাড়িতে ফুল নেই, নিশ্চিন্ত আয়োজকরা। পুরস্কারদাতার কাছাকাছি যেতেই সবাইকে হতভম্ব করে পকেট থেকে একটা ফুল হাতে নিয়ে দাড়িতে গুঁজে নিলেন শিল্পী। উল্টে দেখা কাজ অথবা খেয়ালি শিল্পীর দাড়িতে গোঁজা ফুলের জন্য পুরস্কার কিন্তু ফেরত নেয়নি রাষ্ট্র। শান্তিনিকেতনের আজব কিস্সা।

তৃণময় দাস

কমিক্সের সমালোচনায় কমিক্স

‘…অ্যালান মুরের আগে সুপারহিরোদের নিয়ে এত গভীর চিন্তা কেউ করেনি, করলেও সেগুলো সীমিত রেখেছে ‘কী ক্ষমতা হবে? কী রঙের প্যান্ট পরবে? দিনে ক’টা লোককে প্যাঁদাবে?’ এইসবের মধ্যে। এই প্রথম কমিক্সের নায়ক-নায়িকারা আকাশ আর গগগনচুম্বী অট্টালিকা থেকে নেমে মাটিতে পা রাখল।’ ‘ওয়াচমেন’ এবং সুপারহিরো কনসেপ্টের ডিকনস্ট্রাকশন।