পত্রিকা

উপল সেনগুপ্ত

অ্যাবরা কা থ্যাবড়া ৬৮

কথা থাকবে না, শুধু ছবি। মানে কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র। অবশ্য শুধু ব্যঙ্গ কেন, থাকবে হিহি, খিলখিল, ঠোঁট টিপে মুচকি, একলা দোকলা ফোকলা হাসি। ব্যঙ্গচিত্র কখনও হবে বঙ্গ-চিত্র, কখনও স্রেফ তির্যক দৃশ্য। ছোট্ট ফ্রেম, বিশাল ক্যানভাস।

শুভা মুদ্গল (Shubha Mudgal)

Shubharambh: Part 17

crowd control, stage and sound arrangements are not aspects that artistes have any control over. What they do have control over is the right to say whether or not they are willing to continue performing in often unhygienic, unsafe situations. Whether they choose to exercise that right or not, is a matter of personal choice. But until these facts are accepted, one cannot even hope for change.

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

এক শালিক: পর্ব ১৭

বয়সে বৃদ্ধ মানেই জীবনের আনন্দ্রস্রোত থেকে খারিজ! যাঁরা বৃদ্ধ হননি, তাঁদের মনোবৃত্তিটা সে রকমই হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাঁরা ভাবছেন, বয়সের প্রান্তে দাঁড়ানো মানুষজন অন্যকে বিরক্ত না করে কেবল নিজের অবসানের জন্য শান্ত ভাবে অপেক্ষা করবেন। তাঁর যেন আনন্দে অধিকার নেই, প্রেমের আকাঙ্ক্ষা নেই, উদ্যোগে বাতিল। নবীনদের প্রবীণদের প্রতি এমন উপেক্ষা বুমেরাং হয়েই আসবে।

সুভাষ দে

বন্ধু হাত, শত্রু হাত

‘চক্ষুষ্মানরা আমাদের রাস্তা পার করালেও, তাদের চোখের ভাষা কী আমরা বুঝতে পারি না। কিন্তু সে যখন আমাদের ধরছে, ওই ধরা দেখে আমরা বুঝতে পারি, হয়তো আজ তার মনটা বিক্ষিপ্ত; বাড়িতে কোনো সমস্যা হয়েছে কিংবা অন্য কিছু। আমাদের হাত এই তথ্যটা আমাদের জানায়।’ হাতের মন।

শৌভ চট্টোপাধ্যায়

তোমার হাত যে ধরেইছিলাম তাই পারিনি জানতে

জগৎ সম্পর্কে মানুষের জ্ঞান যে অতি সীমিত, তা মনুষ্যজাতি অবলীলায় বিস্মৃত হয়ে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের লক্ষ্যে অর্থহীন বিগ্রহ কিংবা যুদ্ধে খরচ করে ফেলে যাবতীয় উদ্যম, প্রাণশক্তি। অন্যের হাতের ওপর হাত রাখার পরিবর্তে, দ্বেষ আর বিভাজনই সভ্যতার অভিজ্ঞান হয়ে দাঁড়ায়।

শুভময় মিত্র

অভিনব দুটি হাতে

হাতের রেখা খুব ফাইন ব্যাপার। প্রত্যেক মানুষের জন্য কেউ নাকি প্ল্যানিং করেই চলেছে! এক্সক্লুসিভ নকশা করে, হাতে থ্রি-ডি প্রিন্ট করে, ফটাফট জিনে গুঁজে দিচ্ছে। নিজের আইডেন্টিটি কোড সঙ্গে নিয়েই আসছে মানুষ। কিন্তু কেন? কয়েক বছর আগে কেউ শুনেছে বায়োমেট্রিক টেস্টের কথা? সাপের চোখের মতো সবুজ আলোয় কী কী গুপ্ত তথ্য ওতে ধরা পড়ে, রাষ্ট্র ছাড়া আর কেউ জানে? রেখা মাহাত্ম্য

সৈকত ভট্টাচার্য

বে-হাত হওয়া আবিষ্কার

আজিজুল হকের আবিষ্কৃত এই পরিসংখ্যান-পদ্ধতির নাম গোটা পৃথিবীর কাছে পৌঁছল ‘হেনরি ক্ল্যাসিফিকেশন সিস্টেম’ নামে। বাঙালি সাব-ইন্সপেক্টর পড়ে রইলেন নিষ্ফল হতাশের দলে। চাকরি যাওয়ার ভয়ে প্রতিবাদের পথেও হাঁটলেন না। চুপচাপ মেনে নিলেন এই অন্যায়। হয়তো এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করার আনন্দ তাঁকে এতটাই মোহিত করে রেখেছিল যে, এই খ্যাতির মোহ তার কাছে নিতান্ত ক্ষুদ্র, উপেক্ষণীয় বলে মনে হয়েছিল। আঙুলের ছাপ আবিষ্কারের সত্য।

দেবজ্যোতি

ইয়ে হাত মুঝে দে দে ঠাকুর

হাতের পাঞ্জা অতন্ত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। দিন-কয়েক আগে একটি মেয়ে চাকরি করতে চেয়েছিল বলে, তার স্বামী তার ডান হাতের পাঞ্জা কেটে নিয়েছে। কিন্তু এই হাত-কাটার ব্যাপারটা পুরাণ থেকে পার্টির রাজত্ব সর্বত্র বিদ্যমান। কিন্তু হাত কেটে নেওয়ার পর সেই হাতটা নিয়ে কী করে মালিক? কাটা-হাতের নিয়তি।

শ্রীজাত

হিয়া টুপটাপ, জিয়া নস্টাল: পর্ব ১৬

‘বাগডোগরা থেকে দার্জিলিং যাবার পথটুকু আমাদের ভারী ভাল লাগে, বরাবরই। কিন্তু এই মেঘবৃষ্টির মরসুমে তা যেন আরও অন্যরকম হয়ে উঠেছিল। রোহিণী হয়ে পাঙ্খাবাড়ি রোড ধরে সোজা দার্জিলিং, চেনা রুট। কিন্তু সেই রুটম্যাপই বর্ষায় কেমন যেন অচেনা হয়ে ওঠে, সেটাই দেখলাম এবার।’
দার্জিলিং আর দলমা।

দেবদত্ত পট্টনায়েক (Devdutt Pattanaik)

উপকথার কীট-পতঙ্গরা

হিন্দু পুরাণে কীটপতঙ্গের অস্তিত্ব খুব প্রচলিত বা জনপ্রিয় নয়। কিন্তু পুরাণের সঙ্গে সংযুক্ত বিভিন্ন লোককথা বা উপকথায় কীটপতঙ্গের উল্লেখ রয়েছে। হিন্দু পৌরাণিক কাহিনীতে সমস্ত কীটপতঙ্গের মধ্যে, যেটি প্রাধান্য পায় তা হল মৌমাছি কারণ মৌমাছিরা ফুলের কাছে গিয়ে মধু তৈরি করতে পারে। আমরা প্রেমের দেবতার সাথে মধুমক্ষিকার একটি সংযোগ পাওয়া যায়। পুরাণে কীটপতঙ্গের গপ্পোসপ্পো।

উপল সেনগুপ্ত

অ্যাবড়া কা থ্যাবড়া ৬৭

কথা থাকবে না, শুধু ছবি। মানে কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র। অবশ্য শুধু ব্যঙ্গ কেন, থাকবে হিহি, খিলখিল, ঠোঁট টিপে মুচকি, একলা দোকলা ফোকলা হাসি। ব্যঙ্গচিত্র কখনও হবে বঙ্গ-চিত্র, কখনও স্রেফ তির্যক দৃশ্য। ছোট্ট ফ্রেম, বিশাল ক্যানভাস।

অরুণ কর

আত্মজন

‘অবাক হয়ে দেখি আমগাছের আড়াল থেকে শাড়ি পরা একটা মেয়ে বেরিয়ে সামসুলের সঙ্গে আসছে। কাছাকাছি এসে বলল, ‘দাদা আমার বউ, আপনার সঙ্গে একবার দেখা করবে বলে এসেছে। তারপর মেয়েটির দিকে ফিরে বলল, কাছে আয় সাকিনা, লজ্জা কী, এই তো আমার কাত্তিকদাদা!’‘ নতুন গল্প।