পত্রিকা

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

এক শালিক: পর্ব ১৯

সৌরভ গাঙ্গুলি, এমন একজন খেলোয়াড়, যাঁর সম্পর্কে কথা বলতে গেলে কেউ তাঁর বিশেষ শট বা ফিল্ডিং সাজানোর কথা বলে না। বলে তাঁর অ্যাটিটিউড-এর কথা, তাঁর সাহসের কথা, তাঁর জেদের কথা, তাঁর কামব্যাকের কথা। এখানেই সৌরভের জয়। ক্রিকেট তাঁকে নিজস্ব গণ্ডিতে বেঁধে রাখতে পারেনি। সৌরভ কেবল ক্রিকেটের একটা পার্ট হয়ে থেকে যাননি, বরং ক্রিকেট তাঁর জীবনের একটা অঙ্গ হিসেবে রয়ে গেছে।

অনুভব পাল (Anuvab Pal)

একটা লোক— যে নিউ ইন্ডিয়া গড়ে তুলেছিল

‘আমার সবসময়ে মনে হয়, এই নতুন ভারতবর্ষ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে যাঁরা অগ্রণী, তাঁদের মধ্যে সৌরভ গাঙ্গুলি অন্যতম। সমাজতন্ত্রের বেড়ি, ভয়, কৈফিয়ত, নতুন উদ্যোগ নেওয়ার মানসিকতার অভাব — সবকিছু গুঁড়িয়ে দিয়ে যেন গ্লোবাল পাওয়ারহাউজ হয়ে ওঠেন সৌরভ। তারপর থেকে যা যা হল— ধোনির হিসেবি দৈত্যসুলভ দক্ষতা, কোহলির এনার্জি — এইসব শুরু হয়েছিল গাঙ্গুলিকে দিয়ে।’

অনুপম রায়, শুভ চক্রবর্তী

বেঙ্গালুরুতে অ্যান্টনি: পর্ব ৭

নচিকেতা প্রাণ ভরে গান গাইলেন, মীর মজার কথা বলে লোক হাসালেন। দর্শক দেদার হাসল। আর অ্যান্টনি? হাসির বদলে তাকে চেপে ধরল হাঁচি। বিড়ম্বনার শেষ নেই! কিন্তু কে সেই মেয়ে, যে তাকে প্রথমে অ্যান্টি অ্যালার্জিক দিয়ে শেষে আলাপ জমিয়ে ফেলল?

অনিলাভ চট্টোপাধ্যায়

আমার ‘ক্যাপ্টেন’

‘বাবা-মা’কে নিয়ে লন্ডন বেড়াতে গেছি। মা প্রবল অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন। ক’দিন লন্ডনে থাকতে হবে বুঝতে পারছি না। সৌরভ তাঁর লন্ডনপ্রবাসী কাকাকে দিয়ে নিজের ফ্ল্যাটের চাবি পাঠিয়ে দিলেন। দু’সপ্তাহের বেশি সেবার লন্ডন থাকতে হয়েছিল। মা’কে সুস্থ করেই কলকাতা ফেরাতে পেরেছিলাম।’ ব্যক্তিগত স্মৃতি।

অনুভব পাল (Anuvab Pal)

The Man Who Built New India

I’ve always felt Sourav Ganguly was part of that pioneering generation that built this new India. Helping break the shackles of socialism, fear, apologies, and lack of entrepreneurial spirit, into what became/ has become a fierce global powerhouse. Whatever followed from there, the calculating genius of Dhoni, the energy of Kohli, it all began with Ganguly.

উপল সেনগুপ্ত

অ্যাবরা কা থ্যাবড়া ৭০

কথা থাকবে না, শুধু ছবি। মানে কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র। অবশ্য শুধু ব্যঙ্গ কেন, থাকবে হিহি, খিলখিল, ঠোঁট টিপে মুচকি, একলা দোকলা ফোকলা হাসি। ব্যঙ্গচিত্র কখনও হবে বঙ্গ-চিত্র, কখনও স্রেফ তির্যক দৃশ্য। ছোট্ট ফ্রেম, বিশাল ক্যানভাস।

শ্রীজাত

শুধু কবিতার জন্য : পর্ব ১৭

‘মিছিল তোমায় চেনাল এই দেশে/ ওই ভেসে যায় তরণীবক্তৃতা—/ দ্যাখেইনি যে, কী করে আঁকবে সে/ নদীর উপর জ্বলন্ত সেই চিতা?/ বরং তাকে বিচার করা ভাল/ যে-বালিকা প্রবঞ্চনায় ধীর…/ তোমার প্রিয় তরুণ পরিচালক—/ আমার ছিল প্রহরামঞ্জির।’ নতুন কবিতা।

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

এক শালিক: পর্ব ১৮

লখিমপুর খেরির ১৯ বছরের মেয়ে, তার ১২ বছরের বোনকে শাস্তি দিল প্রেমিক ও তার বন্ধুদের দিয়ে ধর্ষণ ও খুন করিয়ে। কারণ বোন বলেছিল, দিদির প্রেমের কথা মা-বাবাকে বলে দেবে। এই ভয়াবহ ঘটনার জন্য় কে দায়ী? বোন? প্রেমকে পাপ ভাবার মানসিকতা? মানুষের হিংসার প্রতি অদম্য আকর?

ইন্দ্রদীপ ভট্টাচার্য

এক কণ্ঠে হাজার পাখি

‘এলিয়টও কী ভেবেছিলেন রবীন্দ্রনাথের মতো— শতবর্ষ পরে তাঁর কবিতা কীভাবে পৌঁছবে পাঠকের কাছে? গত এক শতাব্দী জুড়ে ‘দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড’ পড়া ও আলোচনা হয়েছে মূলত প্রথম মহাযুদ্ধের পটভূমিতে। আমাদের প্রজন্ম মহাযুদ্ধ দেখেনি। কিন্তু টানা দু’বছর ভয়াবহ অতিমারীর সঙ্গে লড়াই করেছি আমরা। গত এপ্রিল বা তার আগের মার্চের মৃত্যুমিছিল দেখতে দেখতে, কিংবা ঘরে ফেরার টানে বান্দ্রা স্টেশনের বাইরে অপেক্ষমাণ হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিকের ছবি দেখে মনে পড়েছে এলিয়টের পংক্তি, ‘Unreal city!… I had not thought death had undone so many…’।’

অনুপম রায়

ম্যাকি: পর্ব ১৭

কিছু জিনিস যেগুলো তোরা খেটে অর্জন করেছিস, যেমন ধরা যাক বহু সঞ্চয় করে, গুচ্ছের ই.এম.আই. দিয়ে কেনা একটা গাড়ি, তা নিয়ে গর্ব করছিস, বোকা কাজ করছিস কিন্তু তার একটা তাও মানে আছে। আমরা বুঝতে পারি। যখন দেখি তোরা চামড়ার রং নিয়ে গর্ব করছিস এবং একে অপরকে পাতি ছোট করছিস ওই বেসিসে, আমরা হ্যাং করে যাই। মানুষ বনাম মেশিনের দম্ভ!

উপল সেনগুপ্ত

অ্যাবরা কা থ্যাবড়া ৬৯

কথা থাকবে না, শুধু ছবি। মানে কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র। অবশ্য শুধু ব্যঙ্গ কেন, থাকবে হিহি, খিলখিল, ঠোঁট টিপে মুচকি, একলা দোকলা ফোকলা হাসি। ব্যঙ্গচিত্র কখনও হবে বঙ্গ-চিত্র, কখনও স্রেফ তির্যক দৃশ্য। ছোট্ট ফ্রেম, বিশাল ক্যানভাস।

ডঃ রামাদিত্য রায়

পারিবারিক (বন্ধু) চিকিৎসক

আজ ডাক্তার বিধান চন্দ্র রায়ের জন্মদিন এবং মৃত্যুদিনও বটে। তিনি জনহিতের উদ্দেশ্যে কাজ করে গিয়েছেন সারা জীবন। এবং তিনি ছিলেন কিংবদন্তী চিকিৎসক। এই দিনটি তাই ভারতে প্রতিটি চিকিৎসকের স্বীকৃতির দিন, শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের দিন। এ বছর এই দিনটির থিম হল— ‘ফ্যামিলি ডক্টরস অন দ্য ফ্রন্টলাইন’। পারিবারিক চিকিৎসক কেমন হবেন, রোগীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কই বা কী হওয়া উচিত? তিনি বন্ধু, শুধুই ডাক্তার, না বন্ধু-ডাক্তার।