
কাউন্টার-স্ট্রাইকিং মিষ্টি চ্যাম্পিয়ন
‘গোলগাল, মিষ্টি চেহারার পারহামকে এক নজরে দেখে বোঝার জো নেই যে তিনি ইরানের ১ নং পুরুষ দাবা খেলোয়াড়, যিনি ২০১৮-তে দাবা দুনিয়াকে চমকে দিয়ে, ১০-এ ৯.৫ স্কোর নিয়ে জুনিয়র বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের খেতাব জিতেছিলেন।’

‘গোলগাল, মিষ্টি চেহারার পারহামকে এক নজরে দেখে বোঝার জো নেই যে তিনি ইরানের ১ নং পুরুষ দাবা খেলোয়াড়, যিনি ২০১৮-তে দাবা দুনিয়াকে চমকে দিয়ে, ১০-এ ৯.৫ স্কোর নিয়ে জুনিয়র বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের খেতাব জিতেছিলেন।’

দেশে যুদ্ধ, বিদেশে ঠাঁই এখন। বাবা-মা-পরিজনহীন জায়গায় মানিয়ে নিতে হচ্ছে। কিন্তু খেতাব জিতছেন দেশের জন্য। দুই বোন, দুজনেই গ্র্যান্ডমাস্টার। ইউক্রেনের মেয়েরা চালে-চালে কিস্তিমাত করছেন। কলকাতার টাটা স্টিল তেল ইন্ডিয়া ২০২২-এও তার ব্যতিক্রম হল না। সেই মঞ্চেও উজ্জ্বল আনা ও মারিয়া।

একটি সমাজ বা রাষ্ট্র যখন মূর্তি বা স্থাপত্য খাড়া করে, তার গোড়ায় থাকে সেই এলাকার সামাজিক পরিসরের সঙ্গে নিজের সত্তাকে জড়িয়ে ফেলার তাগিদ। অথচ সেই মূর্তি ভেঙে ফেলার মধ্যে থাকে সমস্ত সত্তাকে, বিশ্বাসকে ও প্রত্যয়কে ভাঙার নির্মমতা।

বাদল সরকারের তৃতীয় থিয়েটারের গড়ে ওঠা একেবারে অন্যরকম। অন্য সব নাটক মঞ্চস্থ হওয়ার আগে যে দোর্দণ্ডপ্রতাপ স্ক্রিপ্টের দাসানুদাস হয়ে থাকে, যার নমনীয়তা বলেও কিছু নেই, আর ইম্প্রোভাইজেশনের সুযোগও মঞ্চে খুব কম— তৃতীয় থিয়েটার মোটেই সেরকম ছিল না।

‘দোস্তোজি, তোমার ওই সেলিব্রেশন। ওই ভলির পর ক্যামেরার সামনে গিয়ে দেখিয়ে দেওয়া, দেখো, দেখো আমি দিয়েগো, আমি নম্বর টেন, আমি আলবেসিলেস্তে। তোমার ওই বাইসেপ্স, ট্রাইসেপ্স, ছুটে এসে জড়িয়ে ধরা ক্লদিও ক্যানিজিয়ার সোনালি চুলে মিশে যাওয়া তোমার ট্যাটু।’ স্বপ্নের নাম মারাদোনা।

বিশে নভেম্বর আল বাইত স্টেডিয়ামে কাতার বনাম ইকুয়াডোর প্রথম ম্যাচ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই সব ছাপিয়ে সামনে চলে আসবে ফুটবল।
ব্ল্যাটার কি বলেছিলেন, শ্রমিকদের সঙ্গে ঠিক কি ব্যবহার করা হয়েছিল, মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে কি না, এই সব ব্যাপারে মনে হয় না খুব বেশি মানুষ আর মাথা ঘামাবেন।

‘উজুমাকি’-র মতো সুন্দর কমিক্স খুব কমই হয়। হ্যাঁ, ইমেজারিগুলো দেখে চোখদুটো গঙ্গাজল দিয়ে ধুয়ে পরিশুদ্ধ করার ইচ্ছে জাগতেই পারে, কিন্তু সেই বিভীষিকাময় ছবিগুলোর মধ্যেও একটা সৌন্দর্য রয়েছে।’

শেষ মুহূর্তের ব্যাগ গোছাতে-গোছাতে বিশ্বাস হল সত্যিই যাচ্ছি তাহলে! বাবা ইয়াগা, খুদে ইভান আর জাদুকরী ভাসিলিসার দেশে! মুরগির এক ঠ্যাং-এর ওপর ভর করে, আমার দিকে মুখ করে দাঁড়াল এক বিশাল ফুটবল। তারপর ঘুরতে লাগল বনবন করে। ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপ থেকে সরাসরি।

ভারতের এক-এক প্রান্তে এক-এক রূপে কৃষ্ণের দেখা মেলে। উত্তরের রূপবৈচিত্র্য দক্ষিণের চেয়ে একেবারে আলাদা। কাজেই ভারতের ইতিহাসের যে গোড়ার কথা, বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য, তার প্রকাশ কিন্তু পৌরাণিক চরিত্রের মধ্যে দিয়েও হয়েছে বারংবার। বহুরূপে কৃষ্ণ।

‘গ্যাংটকের ‘রচনা’-তে একতলা থেকে দোতলায় উঠবার জন্য তেমনই একটা কাঠের সিঁড়ি এক লহমায় আমাকে ফিরিয়ে নিয়ে গেল অক্সফোর্ডের সেই দুপুরগুলোতে। এ যেন অন্য এক জগতের সিংদরজা, নয় পূর্ণ পৌনে এক নম্বর প্ল্যাটফর্ম, যা পৌঁছে দেবে বইয়ের দোকান নামক জাদুর দুনিয়ায়।’

কালো মানুষরা সাঁতার জানে না, পারে না— এই গল্পটাই পালটে দিলেন তিনি, রাতারাতি তাঁর নাম হয়ে গেল ‘ব্ল্যাক মারমেড’। ওই একশো ফুট জলের গভীরে গিয়ে যখন প্রথম তিমিদের আওয়াজ শুনতে পান তিনি, সেই মুহূর্তটাই তো জয়ের মুহূর্ত। জীবন্ত মৎস্যকন্যা।

‘ইসলাম লোককথায় অলৌকিক শক্তির অধিকারী প্রাণ, অর্থাৎ ফেরেস্তা ও জিনের অস্তিত্বর ধারণা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, ধরাধামের প্রত্যেকটা মানুষই এমন শক্তির জন্য কামনা করে, যা তাদের জীবন এবং মৃত্যুর ভয়ের সঙ্গে মোকাবিলা করতে সাহায্য করবে।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2025 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.