
বিন্দাসিনী: পর্ব ৩
‘আমি জানতে চাই, আমার বাবা-মা যখন বড় হচ্ছিলেন, আমাদের কলকাতা কেমন দেখতে ছিল। আমি সেই সময়ের নাটক দেখতে আর গান শুনতে চাই; মহীনের ঘোড়াগুলির অসামান্য পারফর্ম্যান্স এবং উৎপল দত্তর স্টেজে অভিনয় দেখতে চাই।’ অতীতে ফেরার বাসনা।

‘আমি জানতে চাই, আমার বাবা-মা যখন বড় হচ্ছিলেন, আমাদের কলকাতা কেমন দেখতে ছিল। আমি সেই সময়ের নাটক দেখতে আর গান শুনতে চাই; মহীনের ঘোড়াগুলির অসামান্য পারফর্ম্যান্স এবং উৎপল দত্তর স্টেজে অভিনয় দেখতে চাই।’ অতীতে ফেরার বাসনা।

‘হঠাৎ করে এল কোভিড-১৯। এল ‘নিউ নর্মাল’। নিয়ে এল নতুন নতুন নিয়ম। বদলে দিল পুরনো অনেক প্রথা… আর এই জামাকাপড় পরা বা সাজগোজ করার কায়দায় বিরাট বদল এল। ‘মাস্ক’ এসে পাল্টে দিল প্রচলিত ফ্যাশন-ধারাকে।’ কোভিড-পরবর্তী সময়ের ফ্যাশনে মাস্কের ভূমিকা।

‘টসে জিতে ইংল্যান্ড দ্বিতীয়বার যখন ভারতকে ব্যাট করতে বলল, তখন ভারত ব্যাট করল খুব কমন সেন্স নিয়ে। ইংল্যান্ডের উঁচু মানের বোলিং আক্রমণ মোকাবিলার জন্য ভারত কোনও বেপরোয়া চেষ্টা করেনি, কিন্তু মারার বল পেলে ব্যাটসম্যান নিঃসঙ্কোচে মেরেছে।’ সাম্প্রতিক ম্যাচ-প্রতিক্রিয়া।

‘জীবনানন্দের ‘মাল্যবান’ পড়ে যদি মনে হয় লোকটা নারীবিদ্বেষী, তাহলে সেই উপন্যাসটার রচনাগুণ তক্ষুনি মাইনাস ছয় হয়ে যাবে? তাঁর কবিতাগুলোও অটোমেটিক বাতিল হয়ে যাবে ঠিকতা-মাপা মেশিনে?’ ব্যক্তি-শিল্পীর বিরোধ।

‘চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দিকে তাকালে দুটো দলকে এই মুহূর্তে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর লাগছে— ডর্টমুন্ড আর চেলসি। ওদের খেলা যখনই দেখছি, বাকিদের দশা কী হতে পারে ভেবে ভয় লাগছে আমার।’ ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ওঠা-নামা।

‘কেরলের আভিয়াল ভারি ভাল জিনিস বটে, কিন্তু বাঙালি সভ্যতায় শ্রীচৈতন্যের বৈষ্ণব ভক্তিযোগের অতুলনীয় অবদান শুক্তো বা লাবড়া বা নিমঝোলের সঙ্গে কি তার তুলনা চলে?… বেচারা সায়েবরা কোথায় জানবে এই করণকৌশল?’ নিরামিষ রান্নার ইতিহাস।

‘ভি ভি এস লক্ষ্মণ আর রাহুল দ্রাবিড়ের পার্টনারশিপটা বর্ণনা করা প্রায় অসম্ভব… কেবলমাত্র উইকেটে টিকে থাকা, মানে খুব রক্ষণশীল একটা অবস্থা থেকে, কীভাবে যে এই জুটির খেলাটা আক্রমণাত্মক একটা পর্যায়ে নিজেদের নিয়ে গেল, সেটা দেখার।’ অস্ট্রেলীয় উইকেট-রক্ষকের ইডেন টেস্ট স্মৃতিচারণ।

‘অনেকবার আমাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছে, আমি ওই খেলায় তিনশো করতে পারিনি বলে আফশোস হয় কি না। আমার উত্তর একটাই— একেবারেই না। আমি বিশ্বাস করি, একজন খেলোয়াড়ের কৃতিত্বের মূল্য খুবই কম, যদি তা দলকে জিততে সাহায্য না করে।’ অসাধারণ ক্রিকেটার থেকে জাতীয় নায়ক হয়ে ওঠার ম্যাচের কথা।

‘পালাতে পালাতে শেষে বর্গি ঢুকে এল দেশে/ তারপর জুড়িয়ে গেল পাড়া…/ মানুষ ঘুমোতে চায়। প্রতি রাতে ঘুমপাড়ানি শোনে।/ শান্ত এই পৃথিবীর অন্তহীন বসন্তের বনে/ কী আর উপায় আছে, প্রেমের কবিতা লেখা ছাড়া?’ নতুন একগুচ্ছ কবিতা, নতুন কলাম।

‘তালিম বা সঙ্গীতের প্রশিক্ষণও প্রথাগতভাবে নিভৃতেই হয়। এই সময়টুকু গুরু বা ওস্তাদের নিজের শিষ্যকে ঘষামাজার সময়, শিষ্যের দুর্বলতাগুলো নির্মম সততার সঙ্গে চিহ্নিত করে, তার অন্তরের প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করেন তিনি।’ রেওয়াজের একাল-সেকাল।

‘নানান দেশের প্রায় জনা ছয়েক জুরি মেম্বার। আমি একাই ভারতীয়, আমাকে এবং আমার দেশকে ঘিরে তাদের কৌতূহলের শেষ নেই। আমি পালিয়ে পালিয়ে বেড়াতে পারলে বাঁচি। কিন্তু সকাল আটটা থেকে রাত্রি আটটা অবধি ঠাসা স্ক্রিনিং।’ বিদেশে প্রথমবার জুরি।

‘পরীক্ষার চাপে বা অন্যান্য পড়াশোনার কারণে অনেক শিল্প-প্রোজেক্ট আমাকে ছেড়ে দিতে হয়েছে। উল্টোদিকে, আমি হয়তো লেখাপড়ায় আরও অনেক সময় দিতে পারতাম, যদি না এই বয়সেই শিল্পী-কেরিয়ার তৈরির রোলার-কোস্টারে চড়তে চাইতাম।’
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2025 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.