কলাম

জয়ন্ত সেনগুপ্ত

হেঁশেলের হিস্‌সা: পর্ব ৯

‘ব্রিটিশ ভারতে চলমান ট্রেন ও রেল স্টেশন, সর্বত্রই খাবার ও পানীয়ের জোগাড় করতে হত জাতপাত ও ধর্মের ছোঁয়াচ বাঁচিয়ে। পৃথগন্নের ব্যবস্থা ছিল শুধু হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যেই নয়, নিরামিষাশী আর আমিষভোজী হিন্দুদের মধ্যেও। স্টেশনে ট্রেন থামলেই ‘হিন্দু চা, মুসলিম চা’— হাঁক পেড়ে ছুটতেন বিক্রেতারা।’ রেলযাত্রার খাওয়া-দাওয়া।

ঋতব্রত মুখোপাধ্যায়

মুখঋত: পর্ব ১৪

‘তৈরি হচ্ছে ‘রিলস’ ও অনলাইনে ‘গেমস’। আপনি বাড়িতে বসে সেই খেলা খেলতে পারেন ও তার ভিডিও প্রকাশ করতে পারেন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়। যে কোরিয়ার মানুষের দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতির আতঙ্কজনক চিত্র ছিল এই নির্মাণে, সেগুলো এখন মোবাইলে গেম হিসেবে খেলা হচ্ছে।’ সমাজে ওয়েব সিরিজের প্রতিক্রিয়া।

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

সামথিং সামথিং: পর্ব ১৮

আজ ইজরায়েল আর প্যালেস্তাইনের মধ্যে ক্রিকেট খেলা হলে, বা আফগানিস্তান ও আমেরিকার মধ্যে ক্রিকেট ম্যাচ হলে, অথবা জার্মান বনাম ইহুদি কবাডি টুর্নামেন্ট হলে, তা শুধু স্কোরবোর্ড-সর্বস্ব হয়ে থাকবে? খেলা কেবল খেলা নয় হয়তো।

শুভময় মিত্র

মিহি মন্তাজ: পর্ব ৮

‘আমি আবার একা হয়ে গেছি। এদিক-ওদিক দেখছি। আবার যদি সেই ভ্যানটা ফিরে আসে? নিষিদ্ধ বই বিক্রির খবর কি চাপা থাকে নাকি? ঝামেলায় জড়ানোর কোনও মানে হয় না। এক-পা দু-পা করে পিছিয়ে চম্পট দেবার তাল করতেই সবাই মিলে দৌড়ে এসে আমাকে ধরে ফেলল।’ আচমকা ঘেরাও।

শ্রীজাত

কবিতার আড্ডাঘর: পর্ব ৯

অসহায়তা যখন অক্ষম আক্রোশে ফেটে পড়ে, জন্ম নেয় কবিতা। সর্বনাশের পরেও সাহসের কুঁড়ি ফোটে, জন্ম নেয় কবিতা। বিদীর্ণ মন কুঁকড়ে যখন ছোট্ট হয়ে আসে, জন্ম নেয় কবিতা। সে কবিতায় স্ফূরণ থাকলেও ফূর্তি থাকে না। ধ্বংস কাব্যগ্রন্থে তাই বিদীর্ণতার সমাহার।

অনুপম রায়

ম্যাকি: পর্ব ৯

‘কোন কেমিক্যাল ইম্ব্যালেন্সের জন্য মানুষ দুঃখ পায় আমরা এখনও জানি না, সেটা বুঝে গেলে আমরাও দুঃখ সিমুলেট করে দেখিয়ে দেব। দু’দিন মেশিন অন করতে পারবেন না। ম্যাকির দুঃখ হয়েছে। সকালে উঠে হঠাৎ দেখবেন এসি থেকে জল ঝরে ঘর ভেসে যাচ্ছে। সারারাত এসি কেঁদেছে।’ যন্ত্রের দুঃখ।

অর্ক দাশ (Arka Das)

খুচরো খাবার: পর্ব ২

‘…ইউটিউবে কয়েকশো চ্যানেলে যতই ‘ঘরোয়া’ রেসিপি শেখানো হোক, বা সোহো বা ম্যানহাটানে আফটার-পার্টি জলখাবার হিসাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করুক না কেন, নিজের দেশে এগ রোল ছাপোষা মধ্যবিত্ত চাকুরিজীবিদের ত্রাণখাদ্য, দশকের পর দশক তা-ই হয়ে এসেছে।’ এগ রোল, যুগ-যুগ জিও!

সুদেষ্ণা রায়

ব্যাকস্টেজ: পর্ব ৮

‘গেলাম ওঁর ডেস্কে, লেখাটা দিলাম। অনেকে ছিলেন ওঁর দপ্তরে। আমাকে তেমন ভাবে চিনলেনও না। পেশাদারি ভঙ্গিতে বললেন, ‘নাও, পড়ো কী লিখেছ।’ অত অজানা মানুষের সামনে পড়তে লজ্জা করছিল। সুনীলদা বুঝতে পেরেছিলেন, বললেন, ‘সাংবাদিকদের ভূষণ লজ্জা নয়, সাহস।’’ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের স্মৃতি।

শ্রীজাত

হিয়া টুপটাপ, জিয়া নস্টাল: পর্ব ৮

বড় হয়ে যখন সমস্ত হৈমন্তী মনকেমনের জন্যে জীবনানন্দকে দোষারোপ করেছি, তখন আসলে শূন্যতাকে এড়িয়ে চলতেই চেয়েছি কোথাও। চেয়েছি, কেউ এসে এই ব্যাখ্যাহীন নিঃস্বতার দায় নিক, কেউ এসে আমার হাত থেকে কাঁধে তুলে নিক এই অর্থহীন উদাসীনতার ক্রুশ। হেমন্তের একাকীত্ব।

অনুপম রায়

ক্যাসেট কথা: পর্ব ১০

ডায়ার স্ট্রেটস ব্যান্ডের গান শুনে আমি একজনেরই আন্ধভক্ত হয়ে উঠেছিলাম, মার্ক নফলার। তাঁর গিটার বাজানোর নিজস্ব একটা স্টাইল ছিল। তিনি ইলেকট্রিক গিটার বাজাতেন হাতে আর বলতেন তাঁকে অনুসরণ না করতে। এ অলৌকিকের সন্ধান পেলে জীবনে মুগ্ধতা কিছু বেড়ে যায়। ওদের গানের আবেশ ঘিরে নেয় ছাত্রজীবনকে। আমার অন্যতম প্রিয় প্রভাব, ডায়ার স্ট্রেটস।

ভি ভি এস লক্ষ্মণ (V.V.S Laxman)

লক্ষ্মণ লেখা: পর্ব ৩

‘যে কোনও ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের জন্য সবাই উদগ্রীব হয়ে থাকে। আর এ বছর তো প্রায় শ্বাসরুদ্ধ অবস্থায় অপেক্ষা করছে সবাই, কারণ গত দু-বছরের ওপর এই দুই টিম মুখোমুখি হয়নি। আর এই ম্যাচটা দুটো টিমেরই এই বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ। তাই দুটো টিমই জেতার জন্য মরিয়া হয়ে উঠবে। ক্রিকেট বই তো কিছু নয়।’

চন্দ্রিল ভট্টাচার্য

সামথিং সামথিং: পর্ব ১৭

বাংলাদেশে যত মুসলিম মৌলবাদের দৌরাত্ম্য বাড়বে, তত ভারতে হিন্দু মৌলবাদেরও দৌরাত্ম্য বাড়বে, কারণ violence begets violence, money begets money, এবং মৌলবাদ begets মৌলবাদ, ক্রোধে ক্রোধকে চাগাবেই। উগ্রবাদের মস্তানি।