
মশগুল : পর্ব ৯
‘অলিপাবের সঙ্গে দ্বিতীয় আলাপে সখ্য জমে। ১৯৯৪ সালের ফেব্রুয়ারি। তখন ময়দানে হত কলকাতা বইমেলা। এক সন্ধেবেলা বইমেলার মাঠে খবর পেলাম, সিনিয়র সব কবিদাদারা গেছে অলিপাবে।’

‘অলিপাবের সঙ্গে দ্বিতীয় আলাপে সখ্য জমে। ১৯৯৪ সালের ফেব্রুয়ারি। তখন ময়দানে হত কলকাতা বইমেলা। এক সন্ধেবেলা বইমেলার মাঠে খবর পেলাম, সিনিয়র সব কবিদাদারা গেছে অলিপাবে।’

‘নীলাব্জ: তার মানে তোমার যুক্তি হল সৌন্দর্য তোমাকে কর্মজীবন এবং ব্যক্তিগত জীবন, দুই জায়গাতেই ফায়দা এনে দিচ্ছে তাই তুমি দিন-দিন আরও সুন্দর হতে চাইবে।
নীলা: আমাদের ইঁদুরদৌড়ে একটু এগিয়ে থাকার জন্য জিমে-টিমে যেতে হবে বইকি।’

‘সোমবার নিশ্চয়ই মনে মনে ভাবে, আমি কেন এমন অভিশপ্ত হয়ে জন্মালাম! মানুষই তো এর জন্যে দায়ী। কিন্তু সে-বেচারা তো আর কবির ভাষায় মানুষকে তীব্র অভিযোগ জানাতে পারে না যে, ‘আমারে তুই আনলি কেন, ফিরিয়ে দে!’’

‘সেন্ট লুসিয়া কিন্তু আক্ষরিক অর্থে আগ্নেয়গিরির শিখরে পিকনিক। এই দ্বীপের জন্ম আগ্নেয়গিরির উদগীরণ থেকে।’

‘যেন সামনে মঞ্চে একটা অভিনয় হচ্ছে, আর আমরা প্রথম সারিতে সিট পেয়েছি। একক, দশক, শতক ধরে একই জায়গায় বসে দেখে যাচ্ছি, নির্বাচিত রোদবৃষ্টি।’

‘বিকেলের দিকে ওই এমার্জেন্সিতে সেদিনের জন্য রাউন্ড দিতে গেছি। হঠাৎই দেখি, মহিলাদের ওই ওয়ার্ডের দরজায় পর্দা সরিয়ে এক মাঝবয়সি লোক ওই মহিলার শয্যার দিকে তাকিয়ে উঁকিঝুঁকি মারছে। আমি ওই লোকের চোখের দৃষ্টি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে না-হতেই দেখি লোকটি গায়েব।’

‘টেলিভিশনে কাজ করার একটা বিষয় আছে ঠিকই, যে, সেখানে দীর্ঘদিন একটিই চরিত্র, একটিই গল্পের মধ্যে বাস করতে হয়। কম বয়সে সত্যিই মনে হত, মনোটনিটা ঘিরে ধরছে, একটেরে হয়ে উঠছে জীবন।’

‘আমরা আহত, ক্ষতবিক্ষত প্রজন্ম। উত্তাল নৃত্যরত সময় আমাদের দুলিয়ে দুলিয়ে ছন্দিত করেছে, আবার আঁচড়ে-কামড়েও দিয়েছে, আগুনের ছ্যাঁকাও লেগেছে।’

‘প্রথমদিকে সুযোগ পেতাম রঞ্জনদার টেবিলের সামনে বসে আড্ডা দেওয়ার। বেশিক্ষণ বসা যেত না। প্রায়ই সংস্কৃতির পাতার লেখকেরা এসে ভিড় জমাতেন। একদিন অফিসে এলেন শক্তি চট্টোপাধ্যায়। তাঁকে ঘিরে সেই সিঁড়িতে তুমুল আড্ডা।’

‘কলকাতার বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে-মোড়ে, গলিতে, ফুটপাথে খেয়াল করলে ‘কলকাতা ফটাফট’-এর খোঁজ পাওয়া যায়। অনেক অনলাইন সাইটে এই খেলার খবর, উপায়, টিপস্, রেজাল্ট খুব সহজেই মেলে।’

‘কোভিডের সময় কত মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা যে হয়েছে। মানুষ কীভাবে মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়— সেসময় দেখেছিলাম। এমনও হয়েছে, রোগী বাড়ি যেতে চাইছেন, বাড়ির লোক তাঁকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে আগ্রহী নন।’

‘কর্পোরেট জীবনে যেমন শুক্রবারের বিকেল থেকেই ছুটির আমেজ, তেমনটা গানের ক্ষেত্রে হবে কী করে? ছুটির দিন শ্রোতাদের, গায়কদের তো নয়! তাই সপ্তাহের কোনও ছুটির দিন আলাদা করে উপভোগ করি না।‘
This Website comprises copyrighted materials. You may not copy, distribute, reuse, publish or use the content, images, audio and video or any part of them in any way whatsoever.
©2025 Copyright: Vision3 Global Pvt. Ltd.