অভীক মজুমদার কবি, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক। উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ : ‘সিন্ধুলিপি’ (২০১৫), ‘ভিক্ষাপাত্র’ (২০১৫), ‘পাগলের সঙ্গ করো’ (২০১৮)। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক। শখ : গান শোনা, সিনেমা দেখা, শিল্পকলা আস্বাদন। লেপচা লোকসাহিত্য এবং অন্যান্য ভারতীয় ভাষার কবিতা বাংলায় তরজমার পাশাপাশি অনুবাদ করেছেন মারাঠি দলিত কবি ‘নামধেও ধসালের কবিতা’ (২০১৪)।
সংযুক্তা বসুর জন্ম ১৯৬১ সালে। ১৯৮৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকোত্তর। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখালেখির পর ‘আনন্দবাজার পত্রিকা‘র বিনোদন বিভাগে দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা করেছেন। এখনও লেখালেখির মধ্যেই থাকতে ভালোবাসেন।
সাগুফতা শারমীন তানিয়া ছোটগল্পকার, ঔপন্যাসিক। বর্তমানে প্রবাসী এই লেখকের বইয়ের সংখ্যা আট। লিখেছেন ‘ওয়াসফিরি’, ‘এশিয়া লিটেরারি রিভিউ’ এবং ‘সিটি প্রেস’-এর মতো সাহিত্য-জার্নালে। ২০১৯ সালে পেয়েছেন বাংলা একাডেমির সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ পুরস্কার।
শ্রীজাত কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার। ২০০৪ সালে ‘উড়ন্ত সব জোকার’ কাব্যগ্রন্থের জন্য পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার এবং কৃত্তিবাস পুরস্কার। ২০১৪-তে ‘কর্কটকান্তির দেশ’ কাব্যগ্রন্থের জন্য বাংলা আকাদেমি সম্মান। আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক লেখক কর্মশালায় আমন্ত্রিত হয়েছেন ২০০৬ সালে। ‘এবং সমুদ্র’, ‘ভাষানগর’ ও ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকা সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন বিভিন্ন সময়ে।
অনুপম রায় গায়ক, সুরকার, গীতিকার। সঙ্গীতচর্চার পাশাপাশি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় কবিতা ও ছোটগল্পও লেখেন। আর শুভম ভট্টাচার্য্য পেশায় আপাতত চাকুরি-অনুসন্ধানকারী আর নেশায় আঁকিয়ে। ফেসবুকে পরিচিত ভট্টবাবু নামে। আঁকাঝোঁকার বাইরে শখ বলতে ঘোরা, ছবি তোলা এবং মন খুলে আড্ডা দেওয়া।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য সাহিত্যিক, গীতিকার, বক্তা। দশটি বই লিখেছেন। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের সঙ্গে যুক্ত। খুব শখ, কান-বার্লিন কাঁপানো চলচ্চিত্রকার হবেন, কিন্তু সে গুড়ে ধারাবাহিক বালি পতনের ফলে ইদানীং ফ্যান্টাসি ফেঁদেছেন, দ্রুত তিন-চারটে নোবেল পেয়ে সে টাকায় নিজের যুগান্তকারী ছবি বানাবেন।
শ্রীজাত কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার। ২০০৪ সালে ‘উড়ন্ত সব জোকার’ কাব্যগ্রন্থের জন্য পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার এবং কৃত্তিবাস পুরস্কার। ২০১৪-তে ‘কর্কটকান্তির দেশ’ কাব্যগ্রন্থের জন্য বাংলা আকাদেমি সম্মান। আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক লেখক কর্মশালায় আমন্ত্রিত হয়েছেন ২০০৬ সালে। ‘এবং সমুদ্র’, ‘ভাষানগর’ ও ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকা সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন বিভিন্ন সময়ে।
সুস্নাত চৌধুরী পেশাগত ভাবে রেস্ট নিতে ভালবাসেন। কখনও ক্লান্ত লাগলে গণমাধ্যমে কাজকর্ম খোঁজেন। ফিচার লেখার জন্য মাঝে মাঝে হাত চুলকোয়। ‘বোধশব্দ’ পত্রিকার প্রুফ দেখেন ও প্রেসে কাগজ পৌঁছে দেন। বিশেষ আগ্রহ ছাপাছাপি ও বাংলা হরফে। মুদ্রণ বিষয়ক প্রকল্পের জন্য ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন ফর দি আর্টস-এর গ্রান্টি।
আবীর ভট্টাচার্য শিবপুর বি.ই কলেজ থেকে ইলেকট্রনিক্স ও টেলিকমিউনিকেশন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছেন। ছায়াছবি, সংগীত, নাটক, শিল্পকলার মতন বিবিধ বিষয়ে গভীর আগ্রহই তাঁর সাম্প্রতিক প্রবন্ধাবলির বিষয় হিসেবে প্রাধান্য পেয়েছে। এসবের বাইরে আঁকা, ক্যুইজে অংশগ্রহণ এবং সঞ্চালনা তাঁর নেশা।
সাগুফতা শারমীন তানিয়া ছোটগল্পকার, ঔপন্যাসিক। বর্তমানে প্রবাসী এই লেখকের বইয়ের সংখ্যা আট। লিখেছেন ‘ওয়াসফিরি’, ‘এশিয়া লিটেরারি রিভিউ’ এবং ‘সিটি প্রেস’-এর মতো সাহিত্য-জার্নালে। ২০১৯ সালে পেয়েছেন বাংলা একাডেমির সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ পুরস্কার।
জন্ম বেড়ে ওঠা কলকাতা। বসবাস বসটন, আমেরিকায়। নিয়মিত ভাবে ছোট গল্প ও ফিচার প্রকাশিত হয় আনন্দবাজার পত্রিকা, সাপ্তাহিক বর্তমান, বাতায়ন, বাংলালাইভ, চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম, গুরুচণ্ডালী, পরবাস পত্রিকাগুলোতে। ২০২০ তে প্রথম ছোট গল্প সংকলন ক্যালাইডোস্কোপ -দে'জ পাবলিকেশন।