শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ছোটগল্পকার, ঔপন্যাসিক। প্রথম উপন্যাস ‘ঘুণপোকা’। প্রথম কিশোর উপন্যাস ‘মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি’। সাহিত্যকৃতির জন্য পেয়েছেন বিদ্যাসাগর পুরস্কার (১৯৮৫), সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার (১৯৮৯), আনন্দ পুরস্কার (১৯৭৩ ও ১৯৯০) এবং বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার (২০১২)। লেখালিখির পাশাপাশি তাঁর আগ্রহের বিষয় বক্সিং, টেনিস, ফুটবল। পাঠক হিসেবে পছন্দ করেন ধর্মবিষয়ক গ্রন্থ, থ্রিলার, কল্পবিজ্ঞান।
বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত কবি, চলচ্চিত্র পরিচালক, গদ্যকার। ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রেষ্ঠ পরিচালকের সম্মান এবং এথেন্স ও স্পেন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘লাইফ টাইম অ্যাচিভমেন্ট’ পুরস্কার পেয়েছেন। ভারতবর্ষের শ্রেষ্ঠ পরিচালকের সম্মানেও ভূষিত হয়েছেন বারংবার। দীর্ঘদিন সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ছিলেন। ২০১৭ সালে দে’জ প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর ‘কবিতা সংগ্রহ’।
বিক্রম আয়েঙ্গর শিল্প পথপ্রদর্শক, নৃত্যশিল্পী, নৃত্য পরিচালক, শিল্প গবেষক, কিউরেটর। রনন পারফর্ম্যান্স কালেক্টিভ-এর প্রতিষ্ঠাতা। কলকাতায় বাস, আন্তর্জাতিক স্তরে কাজ, যার মূল মন্ত্র শিল্পের মাধ্যমে সংযোগ।
বিমল মিত্র (১৯১২-১৯৯১) বাংলাভাষার অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। প্রথম উপন্যাস ‘ছাই’ রচনার পর তাঁর লেখা ‘সাহেব বিবি গোলাম’ উপন্যাসটি পাঠক জগতে বিপুল ভাবে সমাদৃত হয়। এ ছাড়া ‘বেগম মেরি বিশ্বাস’, ‘কড়ি দিয়ে কিনলাম’ এবং ‘একক দশক শতক’ উপন্যাসের মধ্যে দিয়ে তিনশো বছরের সমাজজীবনের এক বিস্তৃত কালের চালচিত্র তিনি তুলে ধরেছেন। ১৯৬৮ সালে ‘কড়ি দিয়ে কিনলাম’ উপন্যাসের জন্য রবীন্দ্র পুরস্কারে সম্মানিত হন।
খান রুহুল রুবেল কবি, প্রাবন্ধিক, গল্পকার। সাহিত্য, বিজ্ঞান, সভ্যতার ইতিহাস এবং অর্থনীতি তাঁর পাঠ ও চর্চার বিষয়। শখ: ভাষাচর্চা, যন্ত্রসঙ্গীত শোনা, নানা রকম বইয়ের তথ্যসংগ্রহ ও তালিকাকরণ। প্রকাশিত বই: ‘ডুবোপাহাড়’ (২০১৭, কবিতা), ‘প্রাচীন বিজ্ঞান’ (২০১৭, বিজ্ঞান/ ইতিহাস)।
উৎসব মুখার্জি চিত্রপরিচালক, চিত্রনাট্যকার। পরিচালক হিসাবে তৈরি ছবি ‘হাফ-সিরিয়াস’, ‘ভীতু’; ওয়েব সিরিজ ‘কর্কট রোগ’, ‘সর্ষে-ইলিশ’। লেখক হিসাবে কাজ করেছেন ‘বরুণবাবুর বন্ধু’ এবং ‘ভবিষ্যতের ভূত’ ছবিতে।
দেবদত্ত পট্টনায়েক লেখক, পুরাণবিদ, চিত্রশিল্পী, বক্তা। পুরাণ, উপকথা, লোকসংস্কৃতি এবং ভারতীয় ঐতিহ্যের প্রতি তাঁর মনোজ্ঞ দৃষ্টিভঙ্গি তাঁকে জনপ্রিয় করে তুলেছে। এ-যাবৎ বই লিখেছেন পঞ্চাশেরও বেশি। তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বই: ‘দ্য গডেস ইন ইন্ডিয়া: দ্য ফাইভ ফেসেস অফ দ্য ইটারনাল ফেমিনিন’, ‘ইন্ডিয়ান মিথোলজি: টেল্স, সিম্বলস, অ্যান্ড দ্য আর্টিকেলস ফ্রম দ্য হার্ট অফ দ্য সাব কন্টিনেন্ট’, ‘অলিম্পাস: অ্যান ইন্ডিয়ান রিটেলিং অফ দ্য গ্রিন মিথ’।
সৈকত ভট্টাচার্য পেশায় ডেটা সায়েন্টিস্ট, নেশায় লেখক। বর্তমানে ব্যাঙ্গালোর নিবাসী। তাঁর লেখা বই: ‘উত্তরে আছে মৌন’ (২০২১) এবং ‘খামখেয়ালির পথ-পাঁচালি’ (২০১৯)।
উপল সেনগুপ্ত গায়ক, সুরকার। এছাড়া কার্টুনিস্ট হিসেবেও তাঁর জনপ্রিয়তা রয়েছে। ‘চন্দ্রবিন্দু’ গানের দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। অনেক ছবি আঁকেন, বিভিন্ন গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন, নতুন প্রতিভা তুলে আনায় তাঁর জহুরির চোখ এবং বড়দা-সুলভ উদারতা তাঁকে অনন্য করেছে।