অভীক মজুমদার কবি, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক। উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ : ‘সিন্ধুলিপি’ (২০১৫), ‘ভিক্ষাপাত্র’ (২০১৫), ‘পাগলের সঙ্গ করো’ (২০১৮)। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক। শখ : গান শোনা, সিনেমা দেখা, শিল্পকলা আস্বাদন। লেপচা লোকসাহিত্য এবং অন্যান্য ভারতীয় ভাষার কবিতা বাংলায় তরজমার পাশাপাশি অনুবাদ করেছেন মারাঠি দলিত কবি ‘নামধেও ধসালের কবিতা’ (২০১৪)।
পেশা সাংবাদিকতা, নেশাও তাই। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন খবরের কাগজ ও টিভি চ্যানেলে। সংবাদের পাশাপাশি ভালবাসেন ফিচার লিখতে। ‘আজকাল’ দৈনিকের প্রাক্তন ডেপুটি এডিটর। বেশ কয়েকটি তথ্যচিত্রের চিত্রনাট্য ও নির্মাণে আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতি পেয়েছেন।
গবেষক ও প্রাবন্ধিক। ভারত সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রক প্রকাশনা বিভাগের সঙ্গে গবেষণাকর্মে যুক্ত ছিলেন। আগ্রহের জায়গা প্রাক-ঔপনিবেশিক এবং ঔপনিবেশিক বাংলার সমাজ-সংস্কৃতি-ইতিহাস।
অভিনেতা, পরিচালক, নাট্যকার, লেখক। ‘সঙ্ঘারাম’ নাট্যগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত বহু বছর। পড়াশোনা রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। সম্প্রতি হইচই ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ‘মন্দার’ ওয়েবসিরিজ পরিচালনা করেছেন।
বিজলীরাজ পাত্র প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। যৌনতা ও পর্নোগ্রাফি নিয়ে এমফিল করেছেন সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোশ্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটা থেকে। বর্তমানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে পিএইচডি করছেন ‘গ্রন্থ ইতিহাস’ বিষয়ে। আগ্রহের বিষয়: পুথি সংস্কৃতি, প্রাগাধুনিক সাহিত্য, যৌনতার ইতিহাস, পর্নোগ্রাফি, বৌদ্ধিক ইতিহাস, ভিজুয়াল কালচার।
শিল্পী, চলচ্চিত্র সম্পাদক, চিত্রগ্রাহক ও প্রাবন্ধিক। সামাজিক এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি যুক্ত আছেন গবেষণাধর্মী পত্র-পত্রিকা এবং শিল্পী সংগঠনের সাথে। তার নির্দেশিত এবং সম্পাদিত তথ্যচিত্র দেখানো হয়েছে দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন প্রদর্শনীতে।
বর্তমানে ক্রিয়া ইউনিভার্সিটি-তে স্কুল অফ ইন্টারওভেন আর্টস অ্যান্ড সাইন্সেস-এ অধ্যাপক। দিল্লির আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব লেটারস-এর প্রাক্তন অধ্যাপক। পড়াশোনা কলকাতার সেন্ট জ়েভিয়ার্স কলেজ, দিল্লির জওহরলাল নেহরু ইউনিভার্সিটি ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ও ফিল্ম স্টাডিজ় বিভাগে। প্রকাশিত বই 'উত্তম কুমার: আ লাইফ ইন সিনেমা' (২০২১)। সিনেমা, রাজনীতি আর সংস্কৃতির বিভিন্ন গতিপথ নিয়ে দেশি ও আন্তর্জাতিক পত্রিকা ও জার্নালে নিয়মিত লেখালেখি করেন।
জলপাইগুড়ির প্রসন্নদেব মহাবিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে শিক্ষকতা করেন। মূলত গল্পকার। গল্পের পাশাপাশি নিবন্ধ, প্রবন্ধ লিখে থাকেন এবং অনুবাদ করে থাকেন। সম্পাদিত ও অনূদিত বই, 'অর্ধেকের খোঁজে: ভারতীয় নারীর হাজার বছরের নির্বাচিত কবিতা'।
একরাম আলি কবি, গদ্যকার, প্রাবন্ধিক। প্রকাশিত কবিতার বই : ‘অতিজীবিত’, ‘ঘনকৃষ্ণ আলো’, ‘আঁধারতরঙ্গ’, ‘বিপন্ন গ্রন্থিপুঞ্জ’, ‘পোড়া মাটির ঘড়ি’ প্রভৃতি। প্রবন্ধের বই : ‘মুসলমান বাঙালির লোকাচার’, ‘অ্যাপোলোর পাখি’ এবং ‘বেদনাতুর আলোকরেখা’। ‘ধুলোপায়ে’ এবং ‘হ্যারিসন রোড’ তাঁর দুটি স্মৃতিকথার বই। পেয়েছেন বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পুরস্কার এবং পশ্চিবঙ্গ বাংলা আকাদেমি সম্মান।